অপরিচিতা গল্পের MCQ প্রশ্নের উত্তর | ৮০ টি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন

ভুমিকা 

অপরিচিতা গল্পের MCQ প্রশ্নের উত্তর। সুপ্রিয় ছাত্রছাত্রীগন! আমি মোঃ রকি, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকর্ম বিভাগের ৪র্থ বর্ষে অধ্যায়নরত।  আজকে আমি আপনাদেরকে জানাবো অপরিচিতা গল্পের MCQ প্রশ্নের উত্তর ও অপরিচিতা গল্পের মূল কথা। যা আপনাদের এইচএসসি বোর্ড পরীক্ষা, টেস্ট পরীক্ষা এমনকি বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষাতেও খুবই কাজে আসবে। তাই এগুলো মনে রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক অপরিচিতা গল্পের MCQ প্রশ্নের উত্তর। ততক্ষণ Infogurubd এর সাথেই থাকুন।

অপরিচিতা গল্পের মূল কথা

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের “অপরিচিতা” গল্পটি নারীর আত্মসম্মান, পুরুষতান্ত্রিক সমাজের অমানবিক রীতি, এবং যৌতুক প্রথার বিরুদ্ধে এক বলিষ্ঠ প্রতিবাদের কাহিনি। গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র কল্যাণী, যিনি কেবল শিক্ষিতা নন, বরং দৃঢ়চেতা ও আত্মসম্মানবোধসম্পন্ন এক নারী। পিতা শম্ভুনাথ সেন তার কন্যাকে সামাজিক লৌকিকতার শৃঙ্খলে আবদ্ধ না রেখে তার সম্মান রক্ষায় দৃঢ় অবস্থান নেন।

গল্পের কথক অনুপম, যিনি উচ্চশিক্ষিত হলেও ব্যক্তিত্বহীন, মাতৃতান্ত্রিক স্নেহের বেড়াজালে আবদ্ধ এক যুবক। বিয়ের সময় যৌতুক দাবি উঠলে কল্যাণীর পিতা তা দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেন এবং এই প্রত্যাখ্যানই অনুপমের জীবনের এক গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষার পর্ব হয়ে ওঠে। পরবর্তী সময়ে, কল্যাণীর আত্মমর্যাদাশীল অবস্থান ও তার ব্যক্তিত্বের বলিষ্ঠ প্রকাশ অনুপমকে আত্মোপলব্ধির দিকে ধাবিত করে।

এই গল্পে রবীন্দ্রনাথ শুধুমাত্র যৌতুক প্রথার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ নয়, বরং একজন নারীর আত্মপরিচয়, সম্মান ও সমাজে তার আত্মপ্রতিষ্ঠার সংগ্রামকে তুলে ধরেছেন। পুরুষতান্ত্রিক ভাষ্যে কল্যাণীর যে প্রশস্তি উচ্চারিত হয়েছে, তা এক নতুন যুগের নারীর আগমনের সংকেত বহন করে। “অপরিচিতা” কেবলই এক ব্যর্থ বিয়ের গল্প নয়, বরং তা আত্মসম্মান ও নারীর জাগরণের এক অনন্য দলিল।

অপরিচিতা গল্পের MCQ প্রশ্নের উত্তর

১. ‘আজ আমার বয়স সাতাশ মাত্র’—এই উক্তিটির অর্থ কী?
➤ লেখকের বয়স ২৭ বছর, যা দীর্ঘ বা গুণগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ নয়।

২. লেখক তার জীবনের বিশেষ মূল্য কীভাবে ব্যাখ্যা করেছেন?
➤ তিনি জীবনকে এমন ফুলের সঙ্গে তুলনা করেছেন, যার ওপর ভ্রমর বসেছিল এবং তা ফল ধারণ করেছে।

৩. লেখকের পিতা কীভাবে সম্পদ অর্জন করেছিলেন?
➤ তিনি ওকালতি করে প্রচুর টাকা রোজগার করেছিলেন।

৪. লেখকের শৈশব কেমন ছিল?
➤ তিনি মায়ের কোলে মানুষ হয়েছেন এবং ধনীর সন্তান হলেও সেই অবস্থার কথা ভুলতে দেননি।

৫. লেখকের প্রধান অভিভাবক কে ছিলেন?
➤ তার মামা, যিনি সংসারের সব দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন।

৬. লেখকের মামার চরিত্র কেমন ছিল?
➤ তিনি বুদ্ধিমান, হিসেবি ও কর্তৃত্বপরায়ণ ছিলেন।

৭. লেখকের মতে, তিনি কেন ভালোমানুষ?
➤ তিনি তামাক খান না এবং মায়ের আদেশ মানতে বাধ্য।

৮. লেখকের বিবাহ সম্বন্ধে মামার মত কী ছিল?
➤ ধনীর কন্যা নয়, এমন কন্যা যিনি বিনয়ী হয়ে আসবেন।

৯. লেখকের বন্ধু হরিশ কী পরামর্শ দেন?
➤ তিনি লেখকের জন্য ‘খাসা’ মেয়ের সন্ধান দেন।

১০. কোন কারণে মামা প্রথমে কন্যার বিষয়ে অনিচ্ছা প্রকাশ করেন?
➤ মেয়ের বয়স মাত্র ১৫ বছর হওয়ায়।

১১. শম্ভুনাথবাবু কে ছিলেন?
➤ কন্যার পিতা, যিনি লেখককে প্রথম দেখেন বিবাহের তিন দিন আগে।

১২. শম্ভুনাথবাবুর চরিত্র কেমন ছিল?
➤ তিনি শান্ত ও সংযত ছিলেন, কথাবার্তা কম বলতেন।

১৩. লেখকের মামা শম্ভুনাথবাবুকে কীভাবে মূল্যায়ন করেন?
➤ নির্জীব ও তেজহীন মনে করেন, যা তার পছন্দ ছিল।

  1. কেন কন্যাপক্ষকেই কলিকাতায় আসতে হয়?
    ➤ মামার নিয়ম ছিল, তিনি কোথাও বিবাহ করতে যাবেন না।

১৫. বিয়ের দেনা-পাওনার দায়িত্ব কে নিয়েছিলেন?
➤ সম্পূর্ণরূপে মামা।

১৬. লেখক কেমন পরিবেশে বিবাহ করতে যান?
➤ উচ্চ শব্দ, ব্যান্ড, শখের কন্সর্ট প্রভৃতি সহ এক বিশৃঙ্খল পরিবেশে।

১৭. লেখকের মামা বিবাহ বাড়ির আয়োজন দেখে খুশি হননি কেন?
➤ উঠান ছোট ছিল এবং আয়োজন মধ্যম মানের ছিল।

১৮. মামা কেন কনের গহনা বিবাহের আগে যাচাই করতে চেয়েছিলেন?
➤ যাতে তিনি ঠকেন না এবং দেনা-পাওনা ঠিক থাকে।

১৯. বিয়ের আসরে মামা শম্ভুনাথবাবুকে কী বলেন?
➤ কনের গহনার প্রকৃত মূল্য যাচাই না করলে তিনি বিয়ে শুরু করবেন না।

২০. লেখক এই পরিস্থিতিতে কী করেন?
➤ তিনি মাথা নিচু করে চুপ থাকেন।

২১. বিনুদাদার চরিত্র কেমন ছিল?
➤ সংক্ষিপ্ত ও সংযত ভাষার ব্যক্তি, যিনি সহজে প্রশংসা করতেন না।

২২. কেন মামা নিজেকে চতুর মনে করতেন?
➤ কারণ, তিনি কখনও কাউকে ঠকতে দেন না এবং দেনা-পাওনায় অতিসতর্ক।

২৩. মামা কীভাবে বিবাহ আলোচনায় শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেন?
➤ দেনা-পাওনা, গহনার পরিমাণ ও মান আগেভাগে নির্ধারণ করে।

২৪. শম্ভুনাথবাবু কেন মেয়ের বিয়ের জন্য অপেক্ষা করছিলেন?
➤ ধনুক-ভাঙা পণ ও উপযুক্ত বর না পাওয়ায়।

২৫. মেয়ের বাবার আর্থিক অবস্থা কেমন ছিল?
➤ একসময় ধনী হলেও বর্তমানে আর্থিক কষ্টে ছিলেন।

২৬. মামা কোন অঞ্চলের বাইরে যেতে চাননি?
➤ হাবড়ার পুল পার হওয়া পর্যন্তও তার অনীহা ছিল।

২৭. লেখক মেয়েকে আগে দেখতে চাননি কেন?
➤ সাহস করে মামার কাছে প্রস্তাব রাখতে পারেননি।

২৮. বিয়ের আগের দিন কন্যাপক্ষ লেখকের সাথে কেমন আচরণ করেছিল?
➤ শম্ভুনাথবাবু বিনয়ী হলেও অতিরিক্ত সৌজন্য দেখাননি।

২৯. শম্ভুনাথবাবুর বর্ণনা কীভাবে দেওয়া হয়েছে?
➤ সুপুরুষ, কম কথা বলা, গম্ভীর ব্যক্তিত্বসম্পন্ন।

৩০. বিয়ের আসরে মামার প্রধান উদ্বেগ কী ছিল?
➤ দেনা-পাওনা ও গহনার যথার্থতা।

৩১. বিয়ের দিন লেখকের অনুভূতি কেমন ছিল?
➤ তিনি নিজেকে একপ্রকার গহনায় মুড়ে থাকা জামাই মনে করেছিলেন।

৩২. লেখকের মামা শম্ভুনাথবাবুর সঙ্গে কেন গম্ভীর হন?
➤ তিনি যথেষ্ট আদর ও সৌজন্য পাননি বলে মনে করেন।

৩৩. বিনুদাদার বিবাহ সম্পর্কিত অভিজ্ঞতা কেমন ছিল?
➤ তিনি মেয়েকে দেখে যথেষ্ট প্রশংসা করেন।

৩৪. বিয়ের দিন শম্ভুনাথবাবুর উকিল বন্ধু কী ভূমিকা রাখেন?
➤ নম্র ব্যবহার ও সৌজন্য দিয়ে পরিবেশ শিথিল করেন।

৩৫. মামা কেন বরপক্ষের আয়োজন নিয়ে গর্বিত ছিলেন?
➤ তিনি অত্যন্ত হিসেবি ও মর্যাদা রক্ষাকারী ব্যক্তি ছিলেন।

৩৬. বিয়ের আসরে লেখকের মনের অবস্থা কেমন ছিল?
➤ তিনি একপ্রকার বাধ্যতামূলক পরিস্থিতির শিকার ছিলেন।

৩৭. কন্যার পিতা শম্ভুনাথবাবু কেমন আচরণ করেন?
➤ সংযত ও গম্ভীর, তেমন উচ্ছ্বাস দেখাননি।

৩৮. মামা কেন শম্ভুনাথবাবুকে বিদায় দিতে যাননি?
➤ তিনি মনে করেছিলেন, শম্ভুনাথবাবু যথেষ্ট বিনয় দেখাননি।

৩৯. বিয়ের প্রসঙ্গে মামার মূল দৃষ্টিভঙ্গি কী ছিল?
➤ দেনা-পাওনায় একচুলও কম বা বেশি না হওয়া।

৪০. লেখক এই পুরো বিবাহ প্রক্রিয়ার বিষয়ে কী বোঝাতে চেয়েছেন?
➤ সামাজিক কাঠামোতে অর্থ ও মর্যাদার লড়াই কেমন চলে, তা ফুটিয়ে তুলেছেন।

আরো পড়ুন: মাসি পিসি গল্পের MCQ | ৫০ টি মাসি পিসি গল্পের সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর

অপরিচিতা গল্পের সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন

  1. শম্ভুনাথবাবু মামাকে কী প্রস্তাব দিলেন?
    ➤ শম্ভুনাথবাবু মামাকে খাওয়ানোর প্রস্তাব দেন।
  2. গহনার ব্যাপারে শম্ভুনাথবাবুর বক্তব্য কী ছিল?
    ➤ তিনি গহনা দেখে বলেন যে, এগুলো পুরনো, এখনকার ফ্যাশনে চলতে পারে না।
  3. সেকরা গহনা নিয়ে কী মন্তব্য করেছিল?
    ➤ সেকরা গহনা দেখে বলে, “এতে সোনার ভাগ কম, এখনকার দিনে এটি ব্যবহার হয় না।”
  4. শম্ভুনাথবাবু গহনা সম্পর্কে কী সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন?
    ➤ শম্ভুনাথবাবু গহনা নিয়ে মামার কাছে সিদ্ধান্ত নেন, এবং তারা এগুলো রাখতে সিদ্ধান্ত নেন।
  5. মামা গহনার বিষয়ে কী প্রতিক্রিয়া দেখালেন?
    ➤ মামা গহনা দেখে বিস্মিত হয়ে যান, কারণ এগুলো অনেক বেশি পরিমাণে ছিল এবং তাদের ভরণপোষণের চেয়ে বেশি ছিল।
  6. শম্ভুনাথবাবু কি মেয়ে এবং গহনার ব্যাপারে বুদ্ধিমানের মতামত দিয়েছেন?
    ➤ তিনি মেয়ে এবং গহনার বিষয়ে নিজস্ব প্রজ্ঞা ও সরলতা প্রদর্শন করেন।
  7. গল্পে বরযাত্রীদের কি খাওয়ার আয়োজন ছিল?
    ➤ বরযাত্রীদের খাওয়ার আয়োজন ছিল পরিষ্কার, ভালো রান্না হলেও আড়ম্বর ছিল না।
  8. শম্ভুনাথবাবু মামার কাছে কী অনুরোধ করেছিলেন?
    ➤ তিনি মামার কাছে বলেছিলেন যে তারা সাধারণত ধনী না হলেও, অতিথিদের জন্য উপযুক্ত আয়োজন করতে চান।
  9. শম্ভুনাথবাবু মামাকে কী ধরনের খাবারের জন্য সম্মতি নিলেন?
    ➤ তিনি মামাকে খাবারের জন্য সম্মতি চেয়ে বলেছিলেন, “তবে আপনাদের খাওয়াইয়ে দিই।”
  10. শম্ভুনাথবাবু মেয়ে ও তার পরিবারের প্রতি কোন উপকারিতা প্রস্তাব করেছিলেন?
    ➤ তিনি শাস্তি বা জল্পনা সম্পর্কে কোনো অভিযোগ না করে, চুরি করার সন্দেহ সরে যাওয়া উচিত মনে করতেন।
  11. মামার অভিব্যক্তি কেমন ছিল যখন তিনি বুঝতে পারলেন যে শম্ভুনাথবাবু তাদের গহনা দেখছেন?
    ➤ মামা বিরক্ত হয়ে গেছেন এবং তার মধ্যে কিছুটা আতঙ্ক ছিল।
  12. শম্ভুনাথবাবু কেমন ধরনের বক্তব্য দিয়েছেন?
    ➤ শম্ভুনাথবাবু তাদের অবস্থা বুঝতে পেরে মেজাজ হারাননি এবং তাদের সম্মানিত করার চেষ্টা করেছেন।
  13. গল্পে শম্ভুনাথবাবুর বুদ্ধিমত্তা এবং তার কন্যার গহনার বিষয় কিভাবে বর্ণিত হয়েছে?
    ➤ শম্ভুনাথবাবু তাঁর কন্যার জন্য মূল্যবান গহনার প্রতি সতর্কতা ও সৎপন্থার পরিচয় দিয়েছেন।
  14. কাহিনিতে গহনার মূল্য নিয়ে আলোচনা কেন করা হয়?
    ➤ গহনার মূল্য ও পরিমাণের মাধ্যমে শম্ভুনাথবাবুর সততা ও তার পরিবারের জীবনযাত্রার পরিচয় দেওয়ার উদ্দেশ্য ছিল।
  15. শম্ভুনাথবাবু কেন মামাকে সভায় না বসে খাওয়ার প্রস্তাব দিলেন?
    ➤ শম্ভুনাথবাবু মামাকে ব্যক্তিগতভাবে খাওয়ার সময় দিতে চেয়েছিলেন।
  16. মামা খাওয়ার ব্যাপারে কী মন্তব্য করেছিলেন?
    ➤ মামা বলেছেন, “বিবাহের পূর্বে বর খাবে না।”
  17. এই গল্পে “জায়গা আছে” এর সুর কীভাবে গানের মতো ছিল?
    ➤ এটি ছিল একটি অসময়ে, অজান্তেই প্রকাশিত এক মধুর সুর, যা মনের মধ্যে গভীরতা তৈরি করেছিল।
  18. কাহিনির শেষের দিকে গল্পের একটি মূল থিম কী ছিল?
    ➤ সম্পর্কের মধ্যে নিঃসীম আস্থা এবং পরিবর্তনশীল পৃথিবীকে উদ্ভাবনের অনুভূতি ছিল।
  19. গল্পের শেষে কী ধরনের আবেগ অনুভূত হয়েছিল?
    ➤ গল্পের শেষে এক দুঃখময়, কিন্তু শক্তিশালী আবেগ অনুভূত হয়েছিল, যা প্রমাণ করে যে কিছু অজানা পরিবর্তন একটি শক্তিশালী প্রভাব ফেলতে পারে।
  20. মামা ও শম্ভুনাথবাবুর মধ্যে সম্পর্ক কেমন ছিল?
    ➤ মামা ও শম্ভুনাথবাবু একে অপরের প্রতি আদর্শ এবং দয়ালু হলেও, তাদের মধ্যে মনস্তাত্ত্বিক দৃষ্টিকোণ ভিন্ন ছিল।
  21. গল্পে মেয়ে কিভাবে বিষয়গুলো অনুভব করেছিল?
    ➤ মেয়েটি এমন পরিস্থিতি অনুভব করেছিল যেখানে তার গহনার ব্যাপারে কিছুটা অস্বস্তি ও শঙ্কা ছিল।
  22. মেয়ে গহনার ব্যাপারে কী ধরনের প্রশ্ন করেছিল?
    ➤ মেয়ে তার বাবাকে বুঝিয়ে দেয় যে, এ ধরনের গহনা তার জন্য উপযুক্ত নয়।
  23. গল্পে গহনার বিস্তার কিভাবে দেখানো হয়েছিল?
    ➤ গহনাগুলোর বিস্তার ও প্রাচীনতা একে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে, যা তার চিরকালীনতা প্রকাশ করে।
  24. কাহিনির পরিশেষে এক অজানা বেদনার প্রভাব কেন প্রকাশিত হয়েছিল?
    ➤ এটি এমন কিছু ঘটনার মধ্য দিয়ে অনুভূতি ছিল, যা জীবনের অগোচরে লুকানো থাকে।
  25. গল্পে “অজানা” শব্দটি কীভাবে ব্যবহার করা হয়েছে?
    ➤ “অজানা” শব্দটি গল্পের গভীরতা এবং অপরিচিত আকাশের মতো মানসিক অবস্থাকে ফুটিয়ে তোলে।
  26. এ গল্পের শেষের বিশ্লেষণ কী ছিল?
    ➤ এ গল্পের শেষ একটি লুকানো অনুভূতি প্রকাশ করেছে, যেখানে চরিত্রগুলি তাদের অজানা দিকগুলো অনুভব করেছে।
  27. গহনা এবং বিবাহের পরিস্থিতি গল্পে কিভাবে সমঝোতার দিকে চলে?
    ➤ শম্ভুনাথবাবু বিবাহের পরিস্থিতি ও গহনার গূঢ় বিশ্লেষণ করতে চাইলে, তা এক নতুন সমঝোতায় পৌঁছায়।
  28. গল্পের শেষের দিকে যখন ছেলেটি মেয়েটির কথা ভাবছিল, তখন তার মনের অবস্থা কী ছিল?
    ➤ ছেলেটি মেয়েটির কথা মনে করে তার একটানা বোধকে অচেনা, কিন্তু সুন্দর বলে অনুভব করছিল।
  29. কাহিনির মাঝখানে কী ধরনের সামাজিক প্রতিক্রিয়া দেখানো হয়েছিল?
    ➤ মামা ও শম্ভুনাথবাবু দুজনেই সামাজিক চাপে নিজেদের অবস্থান বুঝতে পারছিলেন, যা একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ সৃষ্টি করেছিল।
  30. গল্পে নারী চরিত্রটির যে অনুভূতি ফুটে উঠেছে, তা কেমন ছিল?
    ➤ নারী চরিত্রটি তার নিজের অনির্বচনীয় দিক দিয়ে শক্তিশালী, কিন্তু কষ্টে ভরা ছিল।
  31. বিয়ের আগে শম্ভুনাথবাবু মেয়েটির সঙ্গ কীভাবে দেখেছিলেন?
    ➤ তিনি মেয়েটির সঙ্গ নিয়ে কিছুটা সন্দেহ পোষণ করলেও, পরে গভীর শ্রদ্ধাবোধ প্রকাশ করেছিলেন।
  32. কাহিনির শেষে সম্পর্কের ক্ষেত্রে কী ধরনের মাধুর্য ছিল?
    ➤ সম্পর্কের মাঝখানে আস্থার ভিত্তি ও হৃদয়ের গভীরতা ছিল, যা কাহিনির শেষ পর্যন্ত অনুভব করা যায়।
  33. শম্ভুনাথবাবুর চরিত্রে কোন মানবিক গুণাবলী ছিল?
    ➤ শম্ভুনাথবাবুর চরিত্রে সততা, দয়া, এবং মানবিকতা ছিল।
  34. গহনা ও বিয়ের খোঁজে শম্ভুনাথবাবু ও মামার আলোচনা কীভাবে সমাধান হলো?
    ➤ শম্ভুনাথবাবু মামার কাছে নির্দিষ্ট কৌশল দিয়ে বিষয়টি সমাধান করেছিলেন, যা তার শৃঙ্খলা ও সমঝোতার পরিচয় দেয়।
  35. মেয়েটির উপর লেখকের অনুভূতি কীভাবে ফুটে উঠেছে?
    ➤ লেখক তার প্রতি বিশেষ ভালোবাসা এবং সম্মান প্রকাশ করেছেন, কিন্তু তার অনুভূতিও সঙ্কুচিত ছিল।
  36. গল্পের শেষের দিকে বরযাত্রীদের প্রতিক্রিয়া কী ছিল?
    ➤ বরযাত্রীরা অবাক এবং হতাশ হয়ে নিজেদের বিচিত্র মনোভাব প্রকাশ করেছিল।
  37. গল্পের শেষের দিকের তিক্ততা কোথায় অনুভূত হয়েছিল?
    ➤ মনের মধ্যে অজানা বিষাদ এবং তিক্ততার অনুভূতি শুরুর দিকে বিরাজ করছিল।
  1. শম্ভুনাথবাবু কেন নিজেকে বিশেষভাবে উপলব্ধি করেছিলেন?
    ➤ তিনি নিজের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে পরিবারের প্রতি গভীর সংবেদনশীলতা অনুভব করেছিলেন।

Discover more from Info Guru BD

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *