হযরত ইবরাহীম (আঃ)-এর কাবা পুনঃ নির্মাণ | মুল কাহিনি জানুন

হযরত ইবরাহীম (আঃ)-এর কাবা পুনঃ নির্মাণ। হযরত ইবরাহীম (আঃ) পুত্র ইসমাঈল (আঃ)-এর কোরবানীর অনুষ্ঠান থেকে অবসর হয়ে তাঁকে হযরত হাজেরা (আঃ)-এর কাছে অর্পণ করে আল্লাহর শোকর আদায় করেন। এরপর তিনি বায়তুল মোকাদ্দাসে চলে যান। কিছু দিন পর হযরত জিবরাঈল (আঃ) অবতরণ করে বললেন, ইবরাহীম! আল্লাহ তাআলা এ মাটির পৃথিবীতে তাঁর জন্য একখানা গৃহ নির্মাণ করতে আপনাকে আদেশ করেছেন। হযরত ইবরাহীম (আঃ) বললেন, এই গৃহ আমি কোথায় নির্মাণ করব? আদেশ হল, আপনি উটে আরোহণ করুন। আপনি উটে আরোহণ করলে একখন্ড মেঘের আগমন ঘটবে এবং আপনার সাথে চলতে থাকবে। মেঘখন্ড যেখানে থামবে আপনিও সেখানে থামবেন। মেঘখন্ডের ছায়া যতটুকু স্থানে বিস্তৃত হবে, ততটুকু জায়গা ব্যাপী কাবা ঘর নির্মাণ করবেন। আল্লাহ তাআলা যেমন আদেশ করেছেন, ইবরাহীম (আঃ) তদ্রূপই কাবা ঘর নির্মাণ করেন।- আরেক বর্ণনায় রয়েছে, সাপ এসে একটি বৃত্ত তৈরী করে, সেই বৃত্তের পরিমাপেই বায়তুল্লাহ • নির্মিত হয়।

অপর এক বর্ণনায় রয়েছে, হযরত জিবরাঈল (আঃ) যতটুকু স্থান দেখিয়ে দিয়েছিলেন, ততটুকু স্থানব্যাপীই বায়তুল্লাহ শরীফ নির্মিত হয়। বায়তুল্লাহ শরীফ নির্মাণের ইতিবৃত্ত বর্ণনায় আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে বলেন- وَإِذْ بَوَّأْنَا لِإِبْرَاهِيمُ مَكَانَ الْبَيْتِ أَنْ لَا تُشْرِكْ بِي شَيْئًا وَطَهِّرْ بَيْتِيَ للطَّائِفِينَ وَالْقَائِمِينَ وَالرُّكَّعِ السُّجُودِ উচ্চারণ: ওয়া ইয বাওওয়ানা লিইবরাহীমা মাকানাল বাইতি আল্লা তুশরিক বী শাইয়াওঁ ওয়া তাহহির বাইতিয়া লিততোয়ায়েফীনা ওয়াল কায়েমীনা ওয়া ররুক্কাই সসুজুদ। অর্থ: আর যখন আমি ইবরাহীমকে কাবা ঘরের স্থান চিহ্নিত করে দিলাম এবং বললাম, আমার সাথে কাউকে শরীক করো না, আর আমার ঘরকে পবিত্র রেখো তাওয়াফকারী, দন্ডায়মান এবং রুকু ও সজদাকারীদের জন্য। এবার হযরত ইবরাহীম (আঃ) নিবেদন করলেন- ইয়া আল্লাহ! আপনার ঘর নির্মাণে পাথর কোথা হতে আনব। আদেশ হল- লুবনান (লেবানন) পাহাড়, হেরা পাহাড়, আবু কোযায়স পাহাড় এবং সাফা ও মারওয়া পাহাড় হতে আনুন। এ পাঁচটি পাহাড় থেকে হযরত জিবরাঈল (আঃ) পাথর এনে দিতেন আর হযরত ইবরাহীম খলীলুল্লাহ (আঃ) সে পাথর কাবা ঘরে লাগাতেন। কাবা ঘর নির্মাণে হযরত ইসমাঈল (আঃ) পিতাকে সাহায্য করতেন। কাবা ঘরের নির্মাণ কাজ শুরু করার মুহূর্তে আল্লাহ হুকুম করলেন হে ইবরাহীম। প্রথম পাথরটি মেহরাবে রাখুন। নির্দেশানুসারে তিনি তাই করলেন। প্রথম পাথরটি মেহরাবে রাখতেই তাতে হযরত মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লামের নাম বেরিয়ে আসে।

আরো পড়ুন: যমযম কূপ কিভাবে সৃষ্টি হয় | জমজম কূপের ইতিহাস

অতঃপর কাবার ডান দিকে একটি পাথর রাখেন, সেটিতে হযরত আবু বকর (রাঃ)-এর নাম আসে। বাম দিকে একটি পাথর রাখেন তাতে ওমর (রাঃ)-এর নাম প্রকাশিত হয়। অনুরূপ আরও দুইটি পাথরে হযরত ওসমান ও আলী (রাঃ)-এর নাম প্রকাশিত হয়। এর মর্মার্থ হচ্ছে- যে কেউ অন্তরে এ পাঁচ জনের প্রতি প্রীতি ভালবাসা বাতীত নামায ও হজ্জ আদায় করবে, তার এবাদত দুরস্ত হবে না। ইবরাহীম (আঃ) যখন কাবা ঘরের নির্মাণ কাজ এ করছিলেন, তখন তিনি যে দোআ করেন সে প্রসঙ্গে আল্লাহ তাআলা বলেন- وَإِذْ يَرْفَعُ إِبْرَاهِيمُ الْقَوَاعِدَ مِنَ الْبَيْتِ وَاسْمُعِيلُ رَبَّنَا تَقَبَّلُ مِنَّا إِنَّكَ أَنْتَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ উচ্চারণঃ ওয়া ইয ইয়ারফাউ ইবরাহীমুল কাওয়াইদা মিনাল বাইতি ওয়া ইসমাঈল, রাব্বানা তাকাব্বাল মিন্না ইন্নাকা আনতাস সামীউল আলীম। অর্থঃ আর যখন ইবরাহীমও ইসমাঈল (আঃ) কাবার দেয়ালসমূহ নির্মাণ করছিলেন, তখন বললেন হে আমাদের রব। আপনি আমাদের থেকে কবুল করুন, আপনিই প্রকৃত শ্রোতা ও সর্বজ্ঞাতা। (সূরা বাকারা- আয়াত ১৫৭, পারা ১)

ইবরাহীম (আঃ)-এর আরেকটি দোআর বর্ণনায় আল্লাহ বলেন- راهِيمُ رَبِّ اجْعَلْ هُذَا بَلَدًا أَمِنَّا وَارْزُقَ أَهْلَهُ مِنَ الثَّمَرَاتِ مَنْ أَمَنَ وَإِذْ قَالَ إِبْرَاهِيمُ رَبِّ اجا مِنْهُمْ بِااللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ উচ্চারণঃ ওয়া ইয কালা ইবরাহীমু রাব্বি জআল হাযা বালাদান আমিনাও ওয়ারযুক আহ্লাহু মিনা সসামারাতি মান আমানা মিনহুম বিল্লাহি ওয়াল ইয়াওমিল আখির। অর্থঃ আর যখন ইবরাহীম বললেন, হে রব! এ শহরকে আপনি নিরাপদ করুন এবং এ শহরবাসী কে ফলফলারি রিযিক দান করুন, যারা আল্লাহ ও পরকালের উপর ঈমান রাখে। (সূরা বাকারা- আয়াত ১২৬, পারা ১) জবাবে আল্লাহ বলেন- وَمَنْ كَفَرَ فَأُمَتِّعَهُ قَلِيلًا ثُمَّ أَضْطَرَةَ إِلَى عَذَابِ النَّارِ وَبِئْسُ الْمَصِيرُ উচ্চারণঃ ওয়া মান কাফারা ফাউমাত্তিউচু কালীলান সুম্মা আদতোআররুহ ইলা আযাবিন্নারি ওয়া বিসাল মাসীর। অর্থঃ আল্লাহ বললেন, আর যে কাফের, তাকেও অল্প কিছু দিনের জন্য উপকার লাভের সুযোগ দেব, পরে হেঁচড়িয়ে তাকে জাহান্নামের আযাবে নিপতিত করব; আর তা হচ্ছে প্রত্যাবর্তনের নিকৃষ্ট ঠিাকানা। (সূরা বাকারা- আয়াত ১৫৬, পারা ১) হযরত ইবরাহীম (আঃ) স্বহস্তে কাবা ঘরের নির্মাণ কাজ সমাপ্ত করতে পেরে ‘আল্লাহর শোকর আদায় করেন।

কাবার নির্মাণ কাজ শেষে হযরত জিবরাঈল (আঃ) এসে বললেন, হে ইবরাহীম। আল্লাহ তাআলা আপনাকে সালাম পাঠিয়েছেন এবং বলেছেন, আল্লাহর এ ঘর নির্মাণে আপনি যথেষ্ট শ্রম কষ্ট স্বীকার করেছেন। আল্লাহ বলছেন, তাঁর নিকট গরীব নিঃস্ব অনাথ এতীম অনু বস্ত্রহীনদের সেবা, সহযোগিতা বায়তুল্লাহর নির্মাণ এবং এর প্রতিটি স্তম্ভের নিকট হাজার রাকআত করে নামায আদায়ের মতই মর্যাদাবান। তারপর হযরত ইবরাহীম (আঃ)-কে উদ্দেশ করে বলা হল-  ذِنْ فِي النَّاسِ بِالْحَجِّ يَأْتُوكَ رِجَالًا وَعَلَى كُلِّ ضَامِرٍ يَأْتِي مِنْ كُلِّ فَجٍّ عَمِيقٍ উচ্চারণ: ওয়া আযযিন ফি স্নাসি বিলহাজ্জি ইয়াতৃকা রিজালাওঁ ওয়া আলা কুল্লি দোআমিরিয় ইয়াতুনা মিন কুল্লি ফাজ্জিন আমীক। অর্থঃ হে ইবরাহীম! লোকদের মাঝে হজ্জের ঘোষণা করুন, তারা আসবে আপনার দিতে পদব্রজে ও দুর্বল উটসমূহে সওয়ার হয়ে দূর দূরান্ত থেকে। (সূরা হাজ্জ- আয়াত ২৭, পারা ১৭) হযরত ইবরাহীম (আঃ) বললেন, ইয়া আল্লাহ। আমার আওয়াজ আর কতটুকু পৌঁছবে এবং শুনবেই বা কে। আল্লাহ তাআলা বললেন, তুমি আহ্বান ধ্বনি উচ্চারণ কর, তা পৌঁছানোর দায়িত্ব আমার। আমি তোমার এই আহ্বান ধ্বনি কারো পিতৃঔরসে কারো মাতৃজঠরে মোট কথা প্রতিটি মানুষের কর্ণপটে পৌঁছে দেব।

আল্লাহর এ নির্দেশক্রমে হযরত ইবরাহীম (আঃ) পাহাড়োপরি উঠে আহ্বান ধ্বনি উচ্চারণ করলেন, হে বনী আদম সকল! আল্লাহ তোমাদের উপর হজ্জ ফরয করেছেন। সুতরাং তোমরা হজ্জের উদ্দেশে আস। যার ভাগ্যলিপিতে হজ্জ লেখা ছিল সে পিতৃ ঔরসে মাতৃজঠরে অবস্থান করে সাগ্রহে একবার, দুই বার অথবা আরও অধিক বার এ আহবানের জবাবে বলেছে- লাব্বায়ক, হে আল্লাহ! আমি তোমার দরবারে হাযির আছি। এভাবে যে যত বার হজ্জ আদায় করবে, বুঝতে হবে তত বারই আর ভাগ্যলিপিতে হজ্জ লেখা ছিল এবং ইবরাহীম (আঃ)-এর আহ্বানের জবাবে সে ততবারই লাব্বায়ক- হে আল্লাহ আমি হাযির ধ্বনি উচ্চারণ করেছে। ইবরাহীম (আঃ)-এর আহ্বান ধ্বনি আকাশে বাতাসে মিলিয়ে গেল, তিনি কাউকে দেখতে পেলেন না, তাঁর আশপাশেও কেউ নাই। অথচ চতুর্দিক দিক থেকে আওয়াজ ভেসে আসতে লাগল- লাব্বায়কা আল্লাহুম্মা লাব্বায়ক, লাব্বায়কা লা শারীকা লাকা লাব্বায়ক, ইন্নাল হামদা ওয়া ননি’মাতা লাকা ওয়া লমুলকা লা শারীকা লাকা। অর্থাৎ, আমি হাযির, হে আল্লাহ আমি হাযির, আপনার কোন শরীক নাই। আমি হাযির, সব প্রশংসা ও নে’মত আপনারই জন্য। রাজত্বও আপনারই, আপনার কোন শরীক নাই। ইবরাহীম (আঃ) মক্কাস্থ মাঠ ময়দানের প্রতি যখন দৃষ্টিপাত করলেন, দেখলেন- এখানে, ঘাস পানি, কৃষি ক্ষেত্র কিছুই নেই। চতুর্দিকে শুধু ধুধু বালুকারাশি। জনপ্রাণীশূন্য মরুভূমি। তখন আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা জানালেন- رَبَّنَا إِنِّي أَسْكَنْتُ مِنْ ذُرِّيَّتِي بِوَادٍ غَيْرِ ذِي زَرْعٍ عِنْدَ بَيْتِكَ الْمُحَرَّمِ رَبَّنَا اليُقِيمُوا الصَّلوةَ فَاجْعَلْ أَفْئِدَةً مِنَ النَّاسِ تَهْوِى إِلَيْهِمْ وَارْزُقَهُمْ مِّنَ الثَّمَرَاتِ لَعَلَّهُمْ يَشْكُرُونَ উচ্চারণ: রাব্বানা ইন্নী আসকানতু মিন যুররিয়্যাতী বিওয়াদিন গায়রি যী যারইন ইনদা বায়তিকাল মুহাররাম; রাব্বান্না লিইউকীমুস সালাতা ফাজআল আফয়িদাতাম মিনা ন্নাসি তাহবী ইলাইহিম ওয়ারযুকহুম মিনাস সামারাতি লাআল্লাহুম ইয়াশকুরুন। অর্থঃ হে রব! আমি আমার এক সন্তানকে আপনার সম্মানিত ঘরের কাছে এমন এক ময়দানে বসতি করতে দিয়েছি, যেখানে কোন কৃষি ক্ষেত নাই, হে রব! তারা যেন নামায কায়েম করে, অতএব আপনি কিছু লোকের অন্তর তাদের প্রতি ঝুঁকিয়ে দিন এবং তাদেরকে রিযিক হিসাবে ফলফলারি দান করুন, যেন তারা শোকর করে। (সূরা ইবরাহীম- আয়াত ৩৭, পারা ১৩) 

সারকথা, হযরত ইবরাহীম (আঃ)-এর বসবাস ছিল শাম দেশে। হযরত ইসমাঈল (আঃ)-এর জন্মন্মগ্রহণের পর তাঁকে ও তাঁর মাকে বর্তমানে যেখানে কাবা শরীফ অবস্থিত, এখানকার জনমানবহীন প্রান্তরে এনে রেখে যান। সেই জনমানবহীন প্রান্তর ঘিরেই পরবর্তীকালে মক্কা শহরের পত্তন হয়। আল্লাহ তাআলা আপন কুদরতে এখানে যমযম কূপ প্রবাহিত করেন। যমযম কূপ কেন্দ্র করে এখানে জনবসতি গড়ে উঠে। কেননা, এখানকার ভূমি ফলফলারি বা • ফসল উৎপাদনের উপযোগী ছিল না। আল্লাহ তাআলা মক্কার নিকটবর্তী তায়েফে ফলফলারি ও ফসল উৎপাদনের মত উর্বর ভূমির পত্তন করেন। উদ্দেশ্য সেখানে ফল ফসল উৎপাদন হয়ে মক্কা শহরে আসবে। আল্লাহর নির্দেশে হযরত জিবরাঈল (আঃ) মক্কা শরীফের ছত্রিশ ক্রোশ পর্যন্ত বিস্তৃত এক খণ্ড পাথুরে ভূমি উঠিয়ে শাম দেমে নিয়ে রেখে দেন। উঠিয়ে নেয়া ভূমির পরিবর্তে নীল নদের একখন্ড ভূমি উঠিয়ে এনে ফেরেশতারা সেখানে স্থাপন করেন। স্থাপনের পর্বে ফেরেশতাগণ সাত বার কাবা ঘরের তাওয়াফ করেন। নীল নদের এ ভূমিখন্ড স্থাপনের পূর্বে ফেরেশতাগণ সাত বার কাবা ঘরের তাওয়াফ করেন বলে এর নাম হয় তায়েফ।

এখন তায়েফ ভূমিতে সর্বপ্রকার ফসল এর উৎপন্ন হয়। এরপর হযরত ইবরাহীম খলীলুল্লাহ (আঃ) শাম দেশে গিয়ে বসবাস করতে থাকেন। কেননা, এই আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেছেন যে, কাবা ঘর বিনষ্ট হবে না। এ ঘর সব সময় আবাদ থাকবে। নায় শাম দেশে গিয়ে তিনি সরাইখানা স্থাপন করেন এবং মান্নত করেন যে, মেহমান ছাড়া কখনও এর খাবেন না। সাথে সাথে আল্লাহর এবাদতে রত থাকেন এবং মুসাফির পরদেশী লোকদেরকে খানা প্রায় খাওয়াতে থাকেন। একদিন হযরত আযরাঈল (আঃ) মানব আকৃতি ধারণ করে তাঁর নিকট না আসেন। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, হে ভাই! তোমার পরিচয় কি? কোথা হতে এসেছ। আযরাঈল (আঃ) নিজের পরিচয় দেন। এবার তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, সৌজন্য সাক্ষাতে এসেছেন না জীবন হরণের জন্য। আযরাঈল (আঃ) বললেন, আমি আপনার সৌজন্য সাক্ষাতে এসেছি। আরও বললেন, আমি সুসংবাদ প্রদান করছি যে, আল্লাহ তাআলা নিজের এক বান্দাকে বন্ধু বলেছেন। হযরত ইবরাহীম (আঃ) বললেন, তিনি কে? কি তাঁর পরিচয়? আযরাঈল (আঃ) বললেন, আল্লাহ তাআলার সে বন্ধুর পরিচয় হচ্ছে, তিনি মৃতকে জীবিত করতে পারেন। ইবরাহীম (আঃ) বললেন, আহ! আমি যদি সেরকম হতাম। অথবা দেখা পেলে আমি তাঁর সাথে বন্ধুত্ব স্থাপন করতাম। ✓ এসব কথাবার্তার পর হযরত আযরাঈল (আঃ) অদৃশ্য হয়ে যান।


Discover more from Info Guru BD

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *